দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী পূর্ণ যুদ্ধের প্রস্তুতিতেঃ কোরিয় উপদ্বীপে নতুন করে উত্তেজনা

ডেস্ক রিপোর্ট: পোস্টকার্ড | প্রকাশিত: ০৫ এপ্রিল ২০১৭, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
south-korea

বুধবার সকালে (৫ই এপ্রিল ) উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূল থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পর পরই দক্ষিণ কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ বা জেসিএস এক বিবৃতিতে দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনীকে পূর্ণ যুদ্ধ প্রস্তুতিতে রাখা হয়েছে বলে ঘোষনা করেন।বিবৃতিতে  তিনি বলেন উত্তর কোরিয়ার যে কোনো উসকানির তাৎক্ষণিক জবাব দেয়ার জন্য তাদের সেনাবাহিনী পূর্ণ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির উচিৎ জবাব দেয়ার জন্য সিউলের সশস্ত্র বাহিনীর এ প্রস্ততি ও সক্ষমতা বাড়ানো অব্যাহত থাকবে।

এছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া মঙ্গলবার  থেকে কামান যুদ্ধের বড় ধরণের মহড়া শুরু করেছে। মহড়ায় দীর্ঘপাল্লার কামান এবং গোয়েন্দা ড্রোন অংশ নিয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে শত্রুর মোকাবেলায় যুদ্ধ সক্ষমতা প্রমাণ করা এবং যুদ্ধ প্রস্তুতি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়াকে সামনে রেখে এ মহড়ায় কামানের গোলাবর্ষণের অনুশীলন চলছে বলে দাবি করা হয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা দফতর বলেছে,  উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী গাংওন প্রদেশে এ মহড়া চালানো হয়। মহড়ায় মাল্টিপল লাঞ্চ রকেট সিস্টেম বা এএলআরএস ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও ১৩০ মিলিমিটার রকেট, কে-৯ স্বচালিত কামান, কেএইচ-১৭৯  মিলিমিটার কামান, গোয়েন্দা ড্রোন এবং রাডারও ব্যবহার করা হয়। মহড়া চলাকালে দক্ষিণ কোরিয়ার ফ্রিগেড ও স্পিড বোট বহর সাগরে টহল দিয়েছে।

পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান এবং আমেরিকা যৌথ নৌ মহড়া শুরু করেছে। উত্তর কোরিয়ার ডুবোজাহাজ হুমকির মোকাবেলায় প্রশিক্ষণ নেয়াই  এ মহড়ার মূল লক্ষ্য বলে জানানো হয়।

এদিকে পিয়ংইয়ংয়ের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে দক্ষিণ কোরিয়ার এ ধরণের  যুদ্ধ প্রস্তুতি ও মার্কিনী যৌথ ধারাবাহিক মহড়া কোরিয় উপদ্বীপে নতুন করে যুদ্ধ পরিস্থিতি ও উত্তেজনা সৃষ্টি করবে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা। 

তথ্য সুত্রঃ পার্স টু ডে