শনির সবচেয়ে নতুনতম ‘রিং’ বা ‘বলয়’ এর খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা

ডেস্ক রিপোর্ট: পোস্টকার্ড | প্রকাশিত: ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
Saturns-F-Ring-and-its-shepherd-moons

শনির সবকটি বলয় বা ‘রিং’ একই সময়ে জন্মায়নি- সম্প্রতি এ তথ্য জানতে পেরেছেন বিজ্ঞানীরা।

এই সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহটির সবচেয়ে বাইরের বলয় ‘এফ রিং’এবং তার আশেপাশে থাকা দুটি উপগ্রহ জন্মেছে একেবারে শেষ ধাপে। অর্থাৎ অন্য বলয়গুলির তুলনায় শনির ‘এফ রিং’-ই সবচেয়ে নতুন। যদিও আকৃতিতে তা শনির অন্য বলয়গুলির তুলনায় সবচেয়ে সরু, চওড়ায় বড়জোড় কয়েকশ’ কিলোমিটার।

নাসার ‘ভয়েজার’ ও ‘ক্যাসিনি’ মহাকাশযানের পাঠানো ছবি ও তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে সম্প্রতি এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে জাপানের ‘ন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরি’ (এনএও বা ‘নাও’)। আগস্টের শেষদিকে দেশটির কোবে ইউনিভার্সিটি্র দুই বিজ্ঞানী রুইকি হায়োদো ও কেইজি ওহোতসুকি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

শনির সবচেয়ে দূরের এই বলয়টিকে প্রথম খুঁজে পেয়েছিল ‘পাইওনিয়ার ১১’ মহাকাশযান, ১৯৭৯ সালে। শনির লক্ষ-লক্ষ কিলোমিটার চওড়া আদিতম বলয়গুলির চেয়ে অনেক-অনেক দূরে থাকা এই ‘এফ রিং’-এর ভেতর ও বাইরে রয়েছে দুটি উপগ্রহ- ‘প্রমিথিউস’ এবং ‘প্যান্ডোরা’।

জানা যায়, শনির আদিতম চওড়া বলয়গুলিতে কয়েক লক্ষ-কোটি বছর আগে যে-পরিমাণ কণা বা কণিকা ছিল, এখন আর তা নেই। হারিয়ে যাওয়া ওই সব কণা বা কণিকা মিলেই সুদূর অতীতে গড়ে উঠেছিল ‘এফ রিং’ ও দুটি উপগ্রহ- প্রমিথিউস আর প্যান্ডোরা। প্রমিথিউস-এর জন্ম হয়েছিল আগে, একেবারে শেষ ধাপে জন্মেছিল প্যান্ডোরা।

এ আবিষ্কারের ফলে সৌরজগতের আরো একটি গ্রহ ইউরেনাস-এর বলয় ও উপগ্রহগুলিরও জন্মের ইতিহাস জানা সম্ভব হবে বলেও আশাবাদ পোষন করছেন বিজ্ঞানীরা।