নারী পুরুষ সাম্য: বৈজ্ঞানিক-প্রাকৃতিক নাকি ঐতিহাসিক-সামাজিক ধারণা?

সম্পাদকীয়: পোস্টকার্ড | প্রকাশিত: ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৮:৫৪ অপরাহ্ন
rarin4_pc

নারী পুরুষ সাম্য নিয়ে অনেক কথাবার্তা হয়। কিন্তু এই সাম্যের ভিত্তি কি হবে সেটা নিয়ে দার্শনিক চিন্তা কমই চোখে পড়ে। সেই অভাব মেটানোর জন্যেই এই লেখার অবতারনা।

নারী পুরুষের মধ্যে কিছু বায়োলজিকাল ডিফরেন্স আছে। মেন্সট্রুয়েশন আর লেবার পেইন নারীর বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এই দুটোর একটিও পুরুষের ক্ষেত্রে হয় না, কেননা প্রকৃতি চায় নি সেটা হোক, এই দুটো প্রক্রিয়ায় যে কষ্ট তার সাথে পুরুষের সুখকর ইজেকুলেশনের কোনো তুলনাই হয় না। এটা কি প্রিভিলিজ? হ্যাঁ। প্রকৃতি কি কারণে পুরুষকে এই প্রিভিলিজ দিয়েছে? আমি জানি না।

ক্রিশ্চিয়ানিটি এর একটা উত্তর দেয়ার চেষ্টা করেছিলো। হাওয়া ইডেন গার্ডেনে আদি পাপ করেছিলেন, আদমকে পথভ্রষ্ট করেছিলেন, তাই ঈশ্বর হাওয়া ও তাঁর কন্যাদের জন্য এই দুটি শাস্তি নির্ধারণ করেছেন। এই উত্তরটা সমস্যাজনক। হাওয়া যদি আদি পাপ করেও থাকেন, তাহলে সেই জন্য তাঁর নিষ্পাপ কন্যাদেরকে কেনো "করুণাময়" ঈশ্বর শাস্তি দেবেন সেটা ঠিক বোধগম্য নয়। কালেকটিভ জাস্টিসে ঈশ্বর বিশ্বাস করতে পারেন না। যিনি করেন, তিনি আর যাই হন, করুণাময় যে হতে পারেন না এটা নিশ্চিত। তাই এই উত্তরটা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।

তাহলে আমরা, অর্থাৎ আমরা যারা ধর্মীয় সৃষ্টিতত্ত্বের বদলে বৈজ্ঞানিক জৈববিবর্তনবাদকে মানুষের উৎপত্তি ও বিকাশ সম্পর্কিত অধিকতর যুক্তিসঙ্গত তত্ত্ব হিসেবে মেনে নিয়েছি, তারা এই প্রশ্নটার উত্তর কিভাবে দেবো? এইক্ষেত্রে আমাদেরকে প্রকৃতির রাজ্যে প্রবেশ করতে হবে। কারণ, বৈজ্ঞানিক জৈববিবর্তনবাদী তত্ত্ব অনুসারে মানুষ অভিনব হলেও অতুলনীয় নয়, বুদ্ধিমান হলেও পশুই।

আমরা যদি কাল্পনিকভাবে মৌমাছির সমাজে অনুপ্রবেশ করি, তাহলে দেখবো, রাণী মৌমাছি আর শ্রমিক মৌমাছিদের মধ্যে ব্যপক বৈষম্য। বিশেষ এক প্রকারের মাকড়শার সমাজে দেখতে পাবো, প্রজনন সম্পন্ন হওয়ার পরেই, স্ত্রী মাকড়শা পুরুষ মাকড়শাকে খেয়ে ফেলে। দেখতে পাবো সবল বাঘ দুর্বল হরিণকে খাচ্ছে। প্রকৃতির সমাজে কোথাও কোনো সাম্য পাবো না। রুশো পেয়েছিলেন, কিন্তু, রুশোর প্রকৃতি কল্পস্বর্গীয় প্রকৃতি। বাস্তব প্রকৃতি রুশোডীয় না, হিংস্র, ভয়াবহ হিংস্র। প্রকৃতি সাম্যে বিশ্বাস করে না, বিশ্বাস করে ভারসাম্যে, এই বিশ্বাসের সাথে মিল আছে হিন্দু বর্ণপ্রথায় বিশ্বাসী সমাজব্যবস্থার।

প্রকৃতিতে হরিণ যেমন জন্মগতভাবেই হরিণ, সে জন্মই নিয়েছে বাঘের খাদ্য হওয়ার জন্য, হিন্দু বর্ণপ্রথায় বিশ্বাসী সমাজব্যবস্থায় শূদ্র জন্মগতভাবেই শূদ্র এবং সে জন্মই নিয়েছে ব্রাহ্মণের সেবা করার জন্য। আজকে উত্তর-উপনিবেশবাদী তাত্ত্বিকরা প্রাক-ব্রিটিশ ভারতবর্ষের ন্যাচারাল ওয়ে অফ লাইফের প্রশংসা করে থাকেন, কিন্তু এটা হয় নির্বুদ্ধিতা নয় ভণ্ডামি, কারণ কথিত ন্যাচারাল ওয়ে অফ লাইফ প্রশংসনীয় কিছু না। ব্রিটিশ উপনিবেশবাদীদের শোষণ-নিপীড়ণ-লুণ্ঠনকে অস্বীকার না করেই বলা যায়, সেন বা মুঘল আমলে, ভারতবর্ষ সুখের স্বর্গরাজ্য ছিলো না। বর্তমান দুঃখের হলে মানুষ অতীতকে মহিমান্বিত করে। তৈরি করে মিথ। আগে কি সুন্দর দিন কাইটাইতামের মোহনীয় মিথ্যাকথা। আইএসের খেলাফত আকাঙ্ক্ষাও এক ধরণের উত্তর-উপনিবেশবাদী প্রকল্প, তবে, নিকট অতীতে এই প্রকল্পগুলো জাতিসংক্রান্ত মিথ থেকে প্রেরণা পেলেও আইএস প্রেরণা পেয়েছে ধর্মসংক্রান্ত মিথ থেকে।

সে যাই হোক। প্রকৃতিতে আমরা কোনো সাম্য দেখতে পাই না। কারণ জৈববিবর্তন কোনো সাম্যে বিশ্বাস করে না, বৈষম্যেও করে না, সাম্য আর বৈষ্যমের ধারণা প্রকৃতির মধ্যে নেই। সে বিশ্বাস করে পার্থক্যে এবং ধারাবাহিক বিকাশে। এঙ্গেলস প্রকৃতিতে দ্বান্দ্বিকতা দেখতে পেয়েছিলেন, কিন্তু সেটাও একটা কল্পস্বর্গীয় আবিষ্কার, তিনি দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদী দর্শনকে বিজ্ঞানসম্মত করার আকাঙ্ক্ষায় তাড়িত হয়ে প্রকৃতির ওপর নিজের খেয়ালখুশী মতো দ্বান্দ্বিকতা আরোপ করেছেন। জৈববিবর্তনের সাথে কিছুটা মিল আছে বরং বার্নস্টেইনের বিবর্তনবাদী সমাজতন্ত্রের তত্ত্বেরই, দুঃখজনক হলেও সত্য প্রকৃতি সর্বহারার একনায়কতন্ত্র নিয়ে মাথা ঘামায় না, কারন প্রকৃতি একটা অন্ধ এবং হিংস্র শক্তি।

তাহলে সাম্যের ধারণা কিভাবে মানব সমাজে এসেছে? প্রশ্নের মধ্যেই নিহিত রয়েছে উত্তরঃ সমাজের মাধ্যমে! মানুষের সমাজ, বিস্ময়কর হলেও সত্য, আংশিকভাবে প্রাকৃতিক। প্রকৃতি একটা বৃহত্তর সীমানা টানে, যার বাইরে মানুষের পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু অই সীমানার মধ্যে মানুষ কেমন জীবন যাপন করবে তা প্রকৃতি নির্ধারণ করে দেয় না। ৭০০০০ বছর আগে কগনিটিভ রেভল্যুশন হয়েছিলো, ১২০০০ বছর আগে হয়েছিলো এগ্রিকালচারাল রেভল্যুশন, ২০০ বছর আগে ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশন। এই সবই সত্য। কিন্তু কগনিটিভ রেভল্যুশনটা প্রাকৃতিক হলেও পরের দুইটি রেভল্যুশন পুরোপুরি প্রাকৃতিক না, অবধারিতও ছিলো না, নাও হতে পারতো।

কিন্তু হয়েছে, ফর বেটার অর ওর্স, হয়েছে। এবং এই হওয়ার কারণ নিহিত আছে সমাজে। মানুষের এমন একটি অভিনব ক্ষমতা আছে যা মানুষ ছাড়া আর কোনো পশুর নেই। সেটা হচ্ছে ইমাজিনেশন। অন্য সব পশু বাস করে অবজেকটিভ রিয়েলিটিতে। কিন্তু মানুষ ইন্টার-সাবজেকটিভ রিয়েলিটি তৈরি করতে পারে। নদীর পানি অবজেকটিভ, ওটা বিশ্বাস অবিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে না, ওটা কারো কল্পনার ওপর নির্ভর করে না। কিন্তু ঈশ্বর, রাজ্য-সাম্রাজ্য-রাষ্ট্র, বা কর্পোরেশন এইসব ইন্টার-সাবজেকটিভ। জিয়াস-এপোলো-এথেনায় এখন আর কেউ বিশ্বাস করে না, তাই গ্রিক প্যাগানিজম ইতিহাসের পাতায় ঢুকে রিসার্চ ইন্টারেস্ট হয়ে গেছে, কিন্তু এক সময় লক্ষ লক্ষ লোকে জিয়াস-এপোলো-এথেনায় বিশ্বাস করে তাদেরকে প্রাত্যহিক জীবনের অপরিহার্য অংশ করে তুলেছিলো। কমিউনিস্ট বিশ্বাস একসময় যুগোশ্লাভিয়া রাষ্ট্রে প্রতিফলিত হত, আজকে আর অই নামে কোনো রাষ্ট্র নেই, কারণ বিশ্বাসটাই নেই। জেনারেল মটোরস আজকে অত্যন্ত সফল একটি কর্পোরেশন, কিন্তু এইটা সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে ছিলো না, পুঁজিবাদ নামের ভবিষ্যতে বিশ্বাস করার অদ্ভূত এক রাজনীতিক-আর্থনীতিক সাংস্কৃতিক সামরিক ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এটাকে অস্তিত্বশীল হয়ে উঠতে সহায়তা করেছে এবং ভবিষ্যতে এটা নেই হয়ে যেতে পারে যেমন গেছে অতীতের অনেক ছোটোখাটো কর্পোরেশন। নদীর পানি কিন্তু তার জায়গায় প্রায়-অপরিবর্তিত আছে। অবজেকটিভ রিয়েলিটি খুব আস্তে আস্তে পরিবর্তিত হয়, হিউম্যান-মেইড পলিউশন এবং তার নিজের নিয়ম উভয়ের কারণেই, কিন্তু ইন্টার-সাবজেকটিভ রিয়েলিটি পরিবর্তিত হয় অপেক্ষাকৃত দ্রুততার সাথে।

সাম্যের ধারণাও এই ইন্টার-সাবজেকটিভ রিয়েলিটি থেকে এসেছে। আমি যদি ভুল না করে থাকি তাহলে, সাম্যের আদিম ও অবিকশিত ধারণাগুলো পাওয়া যাবে প্রাচীন ইরানের মাজদাকের দর্শনে, এবং রাব্বাইনিকাল জুদাইজমে। অবশ্যই অই সাম্য কমিউনিজমের মতো আধুনিক নয়, যেখানে ফাঁকফোঁকর আছে, নানাবিধ অপূর্ণাঙ্গতা আছে। কিন্তু ইরানি দ্বৈতঈশ্বরবাদী আর হিব্দ্রু একেশ্বরবাদী সমাজেই সম্ভবত সীমিত আকারে সাম্যের ধারণা তৈরি হয়েছিলো, এবং এটা এসেছিলো, সৃষ্টিকর্তার সামনে সবাই সমান এই-অবৈজ্ঞানিক এবং জৈববিবর্তনবাদবিরোধী-বিশ্বাস থেকে। নবীযুগের ইসলামেও এই ধারণা লক্ষ্য করা যাবে। যাবে আর্লি ক্রিশ্চিয়ানিটিতেও। খেলাফতের কাল থেকেই ইসলাম এই সাম্য-অভিমুখী দর্শন থেকে বিচ্যুত হয়, আর ক্রিশ্চিয়ানিটি রোমানাইজড হওয়ার পর থেকেই, তবে এর অন্যথা হওয়া সেই সময়ে সম্ভব ছিলো কিনা সেটাও বিবেচনাযোগ্য।

নারী পুরুষ সাম্যের ধারণা সাম্যের উল্লিখিত সেই আদিম ও অবিকশিত ধারণাগুলোতে ছিলো বলে মনে হয় না আমার। মাজদাক মনে করতেন জল আর বাতাসের মতো নারীও সব মানুষ কর্তৃক সমানভাবে সম্ভোগকৃত হবে, তিনি মানুষ বলতে কিন্তু পুরুষই বুঝতেন, এবং মানুষের সাম্য বলতে বোঝাতেন পুরুষের সাম্যই। বহুবছর পর রুশোই একই লাইনে চিন্তা করেছেন। নারী পুরুষের সাম্যের ধারণা প্রথম পাই মেরি ওলস্টোনক্রাফটের চিন্তা ও তৎপরতায়, পরে লিবারাল তাত্ত্বিক জন স্টুয়ার্ট মিল ও মার্কসিস্ট তাত্ত্বিক ফ্রিডরিক এঙ্গেলসের চিন্তায়, তার পরে নানান ধারার (লিবারাল, মার্কসিস্ট, র‍্যাডিকাল, সোশালিস্ট) ফেমিনিস্টরা এই চিন্তা ও তৎপরতাকে এগিয়ে নিয়ে যান। লিবারালিজম, মার্কসিজম, ফেমিনিজম কোনো বৈজ্ঞানিক-প্রাকৃতিক মতাদর্শ না, যদিও এসবে বিশ্বাসীরা এমনটাই ভাবতে ভালবাসেন। এগুলো ঐতিহাসিক-সামাজিক মতাদর্শ। নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ঐতিহাসিক-সামাজিকই, কখনোই বৈজ্ঞানিক-প্রাকৃতিক নয়।

ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনপ্রিয়তম আর্গুমেন্টটা পরীক্ষা করা যাক। পুরুষও মানুষ, নারীও মানুষ, তাহলে পুরুষ কেনো নারীকে ধর্ষণ করে মনুষ্যত্বের অপমান করবে? অত্যন্ত হৃদয়স্পর্শী আর্গুমেন্ট, কিন্তু, আর্গুমেন্টটা বৈজ্ঞানিক না। এখানে ধরেই নেয়া হচ্ছে মনুষ্যত্ব কনস্ট্যান্ট ব্যাপারে, সব সমাজ আর সময়ে একই থাকা। ভুল, ভুল, ভুল। এমনকি মনুষ্যত্বের ধারণাও ইতিহাস ও সমাজ সাপেক্ষ। সার্বজনীন মনুষ্যত্ব বলে কখনো কিছু ছিলো না। প্যারাগুয়েতে কয়েক দশক আগেই একদল আদিবাসী ছিলো, যারা দলের শিশুরা অসুস্থ বা বিকলাঙ্গ হলে মেরে ফেলতো, কোনো মায়া মমতা না দেখিয়ে। অমানুষ মনে হচ্ছে? ভুল, ভুল, ভুল। এটা সার্ভাইবাল স্ট্র্যাটেজি। অই আদিবাসীদেরকে নিয়মিত শিকার করতো স্থানীয় কৃষকরা, আত্মরক্ষার স্বার্থে, অই আপাত-হৃদয়হীনতা অনিবার্য ছিলো। অসুস্থ আর বিকলাঙ্গ শিশুকে বাঁচিয়ে রাখতে রিসোর্স ব্যবহার করা তাদের জন্য বিলাসিতা ছিলো। হাজার বছর ধরে পৃথিবীর কোনো সমাজেই ধর্ষণকে কোনো অপরাধ বলেই গণ্য করা হয় নি, প্রকৃতিতে দুর্বলের ওপর সবলের অত্যাচারকে যেমন স্বাভাবিক হিসেবে দ্যাখা হয়, সেভাবেই দ্যাখা হয়েছে। সভ্যতার বিকাশ কিছুটা ঘটার পরে এটাকে দ্যাখা হয়েছে এক পুরুষ কর্তৃক অপর পুরুষের সম্পত্তি দখল করা হিসেবে। ধর্ষণকে নারীর ওপর অত্যাচার হিসেবে দ্যাখার দৃষ্টিভঙ্গিটার বয়স খুব কম, এটা অতি সাম্প্রতিক দৃষ্টিভঙ্গি, আগে ছিলো না। এবং এখনো অনেকেই ঘটনাটাকে এভাবে দ্যাখে না।

তাহলে নারী পুরুষ সাম্যের ধারণাটা কি ন্যায্য? দ্যাখেন, ন্যায্য অন্যায্য এসব নরমেটিভ ব্যাপার, অন্তত বিজ্ঞানের সাথে এসবের কোনো সম্পর্ক নেই। ২+২=৪, এটা একটা বৈজ্ঞানিক সত্য, এখানে ন্যায্য বা অন্যায্যের প্রশ্ন অবান্তর। কিন্তু আপনি কি একটা রাষ্ট্রে দুইটা স্কুলের সাথে আরো দুইটা স্কুল যোগ করে মোট চারটা স্কুল বানাবেন, নাকি দুইটা নিউক্লিয়ার উইপনের সাথে আরো দুইটা নিউক্লিয়ার উইপন যোগ করে চারটা নিউক্লিয়ার উইপন স্টকপাইল করবেন, এখানে ন্যায্য অন্যায্যের প্রশ্ন চলে আসে। এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার সামর্থ্য বিজ্ঞানের নাই। নারী পুরুষ সাম্যের ধারণাটা হোমো স্যাপিয়েন্সের জন্য কল্যানকর আমি ব্যক্তিগতভাবে এটা বিশ্বাস করি। কিন্তু আমার এই বিশ্বাসের কোনো বৈজ্ঞানিক-প্রাকৃতিক ভিত্তি নাই, এটা এসেছে মার্কসিজম ও/বা ফেমিনিজম থেকে, যেসব মতাদর্শ ঐতিহাসিক-সামাজিক।

 

লেখক: ইরফানুর রহমান রাফিন